BBC article translation: Why no trials for the attacks on Hindus?

BBC hindu image

The BBC article below includes interview with representatives and leaders of minority communities who have been under attack. The leaders state that Awami League members have often perpetrated these attacks, that these attacks have been politically motivated, and that no steps have been taken to bring legal actions against perpetrators. The implications of these statements by the minority leaders, is that no real steps have been taken by the government to address the minority attacks, precisely because the attacks have been largely perpetrated by the ruling party, Awami League members. Indeed, Progress Bangladesh has documented a number of Print/TV news reports which substantiate this assertion.


Why are there no trials of the attacks on Hindus?

Akbar Hossain

BBC Bangla, Dhaka  9 January, 2014 15:08 GMT 21:08 Bangladesh Time

Highlighted quotes:

“It has now become a slogan that Jamaat and Shibir are responsible for the attack on the minorities, but in many cases there is evidence that Awami League’s members are involved.” (Advocate Subrata Chowdhury, leader of Hindu Buddhist Unity Council)

“As these attacks are actually politically motivated, there have been no legal proceedings/judgement bought against these incidents.” ( Z. I. Khan Panna, Lawyer)

Main article:

After the election in Bangladesh on 5th January, over a hundred homes and temples of the Hindu community have been attacked in different places.

The government have made allegations against Jamaat-e-Islami carrying out attacks on many Hindu homes. However, Jamaat-e-Islami, rebutted the allegations, and stated that supporters of the governing party were those involved in these incidents.

This type of tit-for-tat exchange has often resulted in attacks on the Hindu community going unpunished. Attacks, looting and arson of Hindu homes and temples has often been given substantial coverage on national and international media.

The political parties have held each other responsible one after another. But there is no trial. Human rights lawyer Z. I. Khan Panna thinks that the issue of attacks on Hindus has often become lost in the vortex of politics.

Every attack on the Hindus has a political motive, says Mr Panna. For example, he says that after the destruction of Babri Masjid in 1992 and after the election in 2001 attacks against Hindus took place. In addition, in 2013 and finally on 5th January 2014, after the election, there were attacks on Hindus in various areas.

Mr. Panna Said: “As these attacks are politically motivated, they have been no legal proceedings/judgement bought against these incidents. Protesting is one thing and doing judgment is a different matter.”

In recent months in Bangladesh there has been number of attacks on the temples and houses of Hindus, many incidents of vandalizing and robbery occurred. Mainly from February 2013, after the leader of Jamaat-e-Islami Delwar Hossain Sayeedi was sentenced to death for crime against humanity, the Hindu homes were attacked in various places in the country.

For this the party in power, Awami league accused Jamaat-e-Islami, alongside BNP. On the other hand the leaders of BNP and Jamaat are accusing the ruling party of attacking the minority, in order to accuse the opposition.

Advocate Subrata Chowdhury, a leader of Hindu Buddhist Unity Council in an interview with BBC Bangla said that, the incidents of attacking the minority has become a subject of political parties accusing each other. Not bringing the attackers to justice has become a norm.

He further said, “it has now become a slogan that Jamaat and Shibir are responsible for the attack on the minority but in many cases evidences are there that Awami league’s leaders are involved with recent spate of attacks on the minority.”

He questioned, if Jamaat shibir has done it, or whoever, why the government is not prosecuting them? Mr Choudhury said, those law enforcers who failed to stop this incidents are also not being prosecuted.

Although there has not been justice done with regard to many incidents of attacking Hindus, many are keeping an eye to see whether the attacks that occurred in the aftermath of 5th January election are being brought to justice.

An official of the Domestic Ministry in Dhaka said, with regard to the issue of the attacks on Hindus, the government will implement zero tolerance or no scope of mercy policy.

Additional executive of the Domestic Ministry, Kamaluddin Ahmed has stated that the police had been informed across the country to send detailed information regarding these incidents.

Mr. Ahmed informs that if necessary justice will be processed on a fast track according to the law. In addition, the government is thinking whether to form a special tribunal for the incidents of attacks on Hindus after 2001 election and other times.

Bengali text:

“এখন যেমন বলা হচ্ছে জামাত-শিবির এটা করেছে। এটা একটা শ্লোগান হয়ে গেছে। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সব জায়গায় জামাত-শিবির করেছে বিষয়টি এ রকম না। অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের লোকজনও জড়িত হয়েছে সেটা আমরা দেখতে পেয়েছি”

(সুব্রত চৌধুরী, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ)

“রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে এসব হামলা হয় বলে এর কোন বিচার নেই”

(জেড আই খান পান্না, আইনজীবী)

সাম্প্রতিক হামলায় গৃহহীন একটি হিন্দু পরিবার

বাংলাদেশে ৫ই জানুয়ারী নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক বাড়িঘর এবং মন্দিরে হামলার হয়েছে।

বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের বাড়িঘর হামলার জন্য সরকারের দিক থেকে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে এসব ঘটনার সাথে সরকার দলীয় সমর্থকরাই জড়িত।

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর বিভিন্ন সময় আক্রমনের ঘটনা এরকম পাল্টা বক্তব্য দেখা গেলেও হামলাকারীদের শাস্তির নজির খুব একটা নেই। হিন্দুদের বাড়িঘর এবং মন্দিরে হামলা , লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো বিভিন্ন সময় দেশি-বিদেশী গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার হয়েছে।

পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলো পরষ্পরকে দায়ী করেছে। কিন্তু বিচার নেই। মানবাধিকার আইনজীবি জেড আই খান পান্না মনে করেন বিভিন্ন সময় হিন্দুদের উপর আক্রমনের ঘটনাগুলো রাজনীতির আবর্তে হারিয়ে গেছে।

মি: পান্না বলেন হিন্দুদের উপর যে হামলা হয় তার প্রতিটির পিছনে রাজনৈতিক অভিসন্ধি কাজ করে। উদাহরনস্বরুপ মি: পান্না বলেন ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর এবং ২০০১ সালের নির্বাচনের পর হিন্দুদের উপর আক্রমনের ঘটনা ঘটে। এছাড়া ২০১৩ সাল এবং সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারী নির্বাচনের পরে বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের উপর আক্রমনের ঘটনা।

মি: পান্না বলেন , “ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে এসব হামলা হয় বলে এর কোন বিচার নেই। নিন্দা জানানো এক বিষয় আর বিচার করা ভিন্ন বিষয়।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের বাড়িঘর এবং মন্দিরে হামলা , অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মূলত ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারীতে জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে মানবতা বিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ড দেবার পর দেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা হয়।

এজন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ দোষারোপ করেছে জামায়াতে ইসলামীকে। সাথে বিএনপিকেও। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপি পাল্টা বলেছে সরকার দলের নেতা-কর্মীরা হিন্দুদের বাড়িতে আক্রমন করে বিরাধীদের উপর দোষ চাপাচ্ছে।

বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের একজন নেতা সুব্রত চৌধুরী বলেন সংখ্যলঘুদের উপর আক্রমনের ঘটনা ঘটলে সেটা এখন রাজনৈতিক দলগুলো পরষ্পরের উপর দোষ চাপানোর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। হামলাকারীদের বিচারের আওতায় না আনার একটি সংস্কৃতি চালু হয়ে গেছে।

সুব্রত চৌধুরী বলেন, “ এখন যেমন বলা হচ্ছে জামাত-শিবির এটা করেছে। এটা একটা শ্লোগান হয়ে গেছে। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সব জায়গায় জামাত-শিবির করেছে বিষয়টি এ রকম না। অনেক জায়গায় আওয়ামীলীগের লোকজনও জড়িত হয়েছে সেটা আমরা দেখতে পেয়েছি।”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি জামায়াত-শিবিরই হামলা করে থাকে বা আর যেই করুক না কেন, সরকার কেন তাদের বিচার করছে না? মি: চৌধুরী বলেন হামলার ঘটনা বন্ধ করেতে প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তা ব্যর্থ হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

বিভিন্ন সময় হিন্দুদের উপর হামলার বিচার না হলেও এবারে ৫ই জানুয়ারী নির্বাচনের পর হামলাগুলোর বিচার হবে কিনা সেদিকে অনেকে নজর রাখছে।

ঢাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনায় সরকার জিরো টলারেন্স বা কোন ছাড় না দেবার নীতি অনুসরন করবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব কামালউদ্দিন আহমেদ জানান হিন্দুদের উপর হামলাগুলোর বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য বিভিন্ন জেলার পুলিশকে এরই মধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মি: আহমেদ জানান প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী দ্রুত বিচারের উদ্যোগ নেয়া হবে। কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিচ্ছেন প্রত্যেকটি হামলার ঘটনার আলাদা আলাদা মামলা হবে।

পাশাপাশি ২০০১ সালের নির্বাচনের পর এবং বিভিন্ন সময় হিন্দুদের উপর আক্রমনের ঘটনাগুলোর বিচারের জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন করা যায় কিনা সেটিও সরকার খতিয়ে দেখছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

Source: BBC Bengali 

Further articles:

This entry was posted in Uncategorized and tagged , , . Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in: Logo

You are commenting using your account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s